বাংলাদেশে সব জেলাতেই এই আম জন্মে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ ও নাটোর এলাকায় বেশি জন্মে। সাতক্ষীরার ল্যাংড়া আম স্বাদে, মানে উন্নত ।কড়া মিষ্টি ও সুঘ্রাণ সমৃদ্ধ ল্যাংড়া আমযা আমের রাজা নামে পরিচিত। অনেকের প্রিয় আমের তালিকায় রয়েছে এই ল্যাংড়া আম। এই আমের আঁঠি ও খোসা অনেক পাতলা হয় এবং আঁশহীন হয়৷ পাকার সময় এই আম হলুদ রঙ ধারন করে যার কারনে সবার কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ল্যাংড়া আম একটি জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আমের জাত। এর কিছু বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:
- উৎপত্তি ও চাষাবাদ:ল্যাংড়া আমের উৎপত্তি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে।
- এটি ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশের রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এর চাষ ভালো হয়।
বৈশিষ্ট্য:
- এই আম মাঝারি আকারের এবং ডিম্বাকৃতির হয়।
- পাকার পর এর খোসা হালকা সবুজ থেকে হালকা হলুদ রঙের হয়।
- এর শাঁস খুব রসালো, নরম এবং আঁশবিহীন।
- ল্যাংড়া আম তার মিষ্টি স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য পরিচিত।
- এই আমের আঁটি খুব পাতলা হয়।
স্বাদ ও ব্যবহার:
- ল্যাংড়া আম খেতে খুব মিষ্টি ও সুস্বাদু।
- এটি সরাসরি খাওয়া ছাড়াও বিভিন্ন ডেজার্ট ও পানীয় তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ছোটো ছোটো টুকরো করার ক্ষেত্রে আদর্শ বলে মনে করা হয়।
পাকার সময়: ল্যাংড়া আম সাধারণত জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে পাকে।
নামকরণ: একটি প্রচলিত কাহিনী অনুসারে একজন "খোড়া ফকির" এর নাম অনুসারে এই আমের নাম ল্যাংড়া হয়েছল্যাংড়া আম তার অতুলনীয় স্বাদ ও গন্ধের জন্য আমপ্রেমীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।